সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন
রাজাপুর প্রতিনিধি :: ঝালকাঠির রাজাপুরের উত্তর-উত্তমপুর গ্রামের চুনপুরি নামক এলাকায় এবছর ১৩ জনকৃষকের প্রায় ১৫ বিঘা জমিতে খেসারি (কলাই) ডালের বাম্পার ফলন হওয়ায় খুব খুশিকৃষকরা। ফসলের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ২০ থেকে ২৫ মেট্রিক টন। আলম,রিপনফকির,শাহাজালাল ও মরিয়মসহ একাধিক কৃষক জানান, নভেম্বরের মাঝামাঝি আমন ধানপাকলে ওই ধান কাটার ১৫/২০দিন আগে ৩৩ শতকের একবিঘা জমিতে ৮ কেজি খেসারিরবীজ বুনতে হয়। প্রতি কেজি বিজের মূল্য ৬০টাকা করে প্রতি বিঘা জমিতে বীজবুনতে মোট ৪শ’ ৮০টাকা খরচ হয়। পাকা আমন ধান কেটে নেয়ার পরে কোন পরিচর্যাছাড়াই আস্তে আস্তে বৃদ্ধি পেতে থাকে খেসারি ডালের গাছ।
মার্চ মাসের শেষের দিকেডালসহ গাছ তুলে নিতে হয়। প্রতি বিঘার ডাল গাছ তুলতে দু’জন শ্রমিকের ১দিনসময় লাগে। এতে দু’জন শ্রমিককে পারিশ্রমিক দিতে হয় ৭শ’ টাকা। প্রতি বিঘারডাল সিম থেকে ছাড়িয়ে নিতে আরো দু’জন শ্রমিকের ১দিন সময় লাগে। এতেদু’জন শ্রমিককে আরো পারিশ্রমিক দিতে হয় ৭শ’ টাকা। তাই প্রতি বিঘা জমিরফসল ঘরে তুলতে শ্রমিক ও বীজ ক্রয়সহ মোট খরচ হয় ১হাজার ৮শ’ ৮০টাকা। প্রতিশতাংশে ডাল উৎপাদনের মাত্রা ধরা হয়েছে ৫ কেজি থেকে৭ কেজি। ৩৩ শতকের ১ বিঘাজমিতে ডাল উৎপাদন মাত্রা ধরা হয়েছে ১টন ৬৫ কেজি থেকে ২টন ৩১ কেজি। ৫০ টাকাকেজি দরে ১ বিঘা জমির উৎপাদিত ফসলের মূল্য হতে পারে ৮হাজার ২৫০ টাকা থেকে ১১হাজার ৫৫০ টাকা।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রিয়াজউল্লাহ বাহাদুর বলেন,১৭শ’ হেক্টর জমিতে খেসারি চাষের লক্ষমাত্রা ছিল কিš‘ চাষ হয়েছে ১৮শ’ হেক্টর। জমিউর্বর ও আবহাওয়া ভাল থাকায় কৃষকরা আগ্রহভরে সবাই চাষ করেছেন। এ কারনে লক্ষমাত্রারচেয়েও চাষ বেশি হয়েছে। ভালও ভাল হবে, কৃষকরা লাভবান হবে।